২৭শে মার্চ ২০২৪ তারিখটা সম্ভবত আমি কখনোই ভুলবোনা!

 

আজ থেকে ঠিক ৬ মাস আগে, ২৭শে মার্চ ২০২৪ তারিখটা সম্ভবত আমি কখনোই ভুলবোনা! জীবনের নতুন এক অভিজ্ঞতা শুরুর দিন...


রমজান মাস ছিলো, দুপুর আড়াইটার দিকে দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক বড় ভাই আমাকে ৫ টা কল দিসে! উনি আমার কলেজেরও বড় ভাই, উনার সাথে এর ১ দিন আগেই আমি ইফতার করসি আমাদের কলেজে বসেই। উনি সাধারণত আমাকে কল দেন না, কিন্তু একসাথে এতোগুলো কল দেখেই আমি খারাপ কিছু আঁচ করছিলাম। উনার সাথে কথা বলে বুঝলাম, বিপদের ঘন্টি বেজে গেসে! বিপদ এড়াইতে যথাসম্ভব প্রস্তুতির প্ল্যান করছিলাম, কিন্তু বিপদ এভাবে হামলে পড়বে ভাবিনাই! তবে এখন বুঝি সবই আল্লাহর ইচ্ছা ছিলো...

দুপুর ৩ টায় গোসলে যাওয়ার আগে দেখলাম মোবাইলে আরেকটা মিসকল, অপরিচিত নাম্বার। ট্রুকলারে নাম দেখলাম, এসআই পল্লব কলাবাগান  থানা। বুঝলাম, বিপদ এবার দরজায় কড়া নাড়ছে! আম্মুকে হালকাভাবে বললাম যে এরকম এক এসআই আমারে মিসকল দেয়, আম্মুও হালকাভাবেই নিলেন। ঐদিন পল্টন টাওয়ারের শর্মা হাউজে একটা ইফতারের দাওয়াত ছিলো, সেখানের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর সেই অপরিচিত নাম্বারে ব্যাক করলাম। ফোন ধরে সালামের জবাব না নিয়েই ভদ্র ভাবে আমার নাম জানতে চাইলো, আমি বললাম আমাকে আপনিই কল দিয়েছিলেন! পরে বললো, আপনার নামটা বললে বুঝতাম। নাম বললাম, আবরার। সে এরপরে "ওহ রঙ নাম্বার" বলে কল রেখে দিলো! চেক করে দেখলাম ২১ সেকেন্ড কথা হইসে। যথারীতি আমি বাসে করে পল্টন চলে গেলাম, সেখানে আড্ডা দিচ্ছি আবার ফেসবুকও চালাচ্ছি। এরপর আসরের নামাজের সময় বিল্ডিংয়ের ৮ তলার মসজিদে নামাজে গেলাম...

নামাজে দাঁড়ানোর কিছুক্ষণ পরেই মোবাইলে সমানে কল আসতে থাকলো! নামাজ শেষ করে দেখি আম্মু, ছোট ভাই আর বড় মামা একের পর এক কল দিয়েই যাচ্ছে! আম্মুর ফোন ধরলাম, তখন আম্মু জিজ্ঞেস করলেন আমারে #ডিবি খুঁজতেসে কেনো?! আমি বললাম আমি তো জানিনা! আমাকে ঐ এসআই ফোন দিসিলো যে, সেও কিছু বলেনাই! পরে আম্মু বললো, আমার মেজো মামাকে নাকি তার মার্কেট থেকে তুলে নিয়ে গেসে আমার কথা বলে! এটা শোনার পর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো...

এরপর মোবাইল দুইটা বন্ধ করে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন করলাম, পাশে থাকা দুই ক্লোজ বড় ভাইকে বিষয়টা হালকাভাবে জানাইলাম। আর ইক্যুয়েশন মিলানোর চেষ্টা করলাম যে ধরার কথা আমারে, কিন্তু আমারে না পেয়ে মামারে ধরবে কেনো?! এইটা কেমন কথা? এরপর মাগরিবের পর সাথে থাকা বড় ভাইয়ের মোবাইল দিয়ে বাসায় কল দিয়ে পরিস্থিতির আপডেট নিলাম, জানলাম যে মেজো মামাকে মিন্টু রোডের ডিবি অফিসে নিয়ে গেসে! এখন উনাকে ছাড়াইতে হইলে ছোট মামাকে যাইতে হবে। ইতোপূর্বে ছোটমামার সাথে কথা হইসিলো আমার, উনি বলসেন যে কোন তদবীর না করে যাইতে বলসে উনারে। তদবীর করলে নাকি তাদের সবাইকে মামলায় ফাঁসায় দিবে! তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি যাইতেসেন এবং আমাকে নিরাপদে থাকতে বললেন, এরপর বড় মামাও বললেন আত্মগোপনে যাইতে! সিদ্ধান্ত নিলাম সাথের বড় ভাইয়ের বাসায় চলে যাবো, এরমধ্যে দেখি কি হয়। বাসায় এইটা জানিয়ে আমি তারাবী পড়তে মসজিদে ঢুকলাম, নামাজ পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম এইটা আমার জীবনের শেষ তারাবী নামাজ কিনা কে জানে! মোটামুটি নির্ভার থেকেই নামাজ শেষ করে বের হইলাম। বের হয়েই শুনলাম, যেই বড় ভাইয়ের আশ্রয়ে আছি তাকে আমার ছোট ভাই কল দিসিলো। দিয়ে আমাকে খুঁজলে তিনি অস্বীকার করেন! কারণ তার জিজ্ঞাসার ধরণ সন্দেহজনক ছিলো। কি হইসে সেটা ভাবতেই ছোট ভাই বললো ডিবির অফিসাররা তাকে দিয়ে জোর করে ফোন করাইসে আমার অনেক ভাই-ব্রাদারের কাছেই! তবে এখন সে অবমুক্ত। তারপর সে পুরো ঘটনা বললো, তার সারমর্ম হইলো যে এশার নামাজের আগ মুহুর্তে আটককৃত মেজো মামাকে নিয়ে ডিবির লালবাগ জোনের স্পেশাল টিমের এডিসি রাকিবের নেতৃত্বে ইন্সপেক্টর হাবিবসহ একটা টিম আমার বাসায় আসে! অকথ্য গালাগাল ও ত্রাসের সৃষ্টি করে আমাকে খোঁজার নাম করে। এরপর আমার আব্বু আর ছোট ভাইকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি অফিসে! মেজো মামা তো সাথেই ছিলো। সেখানে তারা গিয়ে দেখে আমার ছোট মামাকেও তারা আটকে রেখে মারধোর করে মারাত্মকভাবে লাঞ্ছিত করে! লং স্টোরি শর্ট, এরপরে যখন আমার আব্বুর সরকারী চাকুরীর পরিচয় পায় তখন তাদেরকে ছেড়ে দিতে চায় তবে এর বিনিময়ে শর্ত দেয় আমাকে আগামীকাল বেলা ১১ টার মধ্যে স্যারেন্ডার করতে হবে! নচেৎ আগামীকাল আবারও সবাইকে ধরে এনে মামলা দিবে, জেলে পাঠাবে! মামাদের মার্কেট সিলগালা করে দিবে, উনাদের বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করে দিবে! আমাকে তো ধরবেই, তবে আমার বাপের চাকুরীটাও যাবে! এরপর নাকি আমরা সবাই মিলে জেল খাটবো। পরে বাধ্য হয়ে আমি পরেরদিন সকালে স্যারেন্ডার করার সিদ্ধান্ত নেই...

ততক্ষণে রাত প্রায় ১২ টা। আমি একে একে আমার ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুল্লাহ স্যার, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক স্যার এবং সহকারী অধ্যাপক জনাব তারেক বিন আতিক স্যারকে ফোনে ঘটনা জানাই। এরমধ্যে নুরুল্লাহ স্যার সেই রাতে এয়ারপোর্ট যাচ্ছিলেন, আর তারেক স্যারও তার অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তারা আমাকে জানান যে তারা অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন, আমি যেন লুকিয়েই থাকি। এর ভেতরে কি করা যায় তারা দেখবেন আর বিষয়টাকে সিরিয়াসলি ডীল করার জন্য তারা তাজাম্মুল স্যারকে বলেছেন! আমি কিছুটা আশ্বস্ত হইলাম। সেই রাতে আমি আমার এক ক্লোজ বন্ধুর বাড়ীতে লুকাই, সে ছাত্রলীগের রাজনীতি করলেও আমাকে আশ্রয় দেয়! আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে তার মোবাইলটা দিয়ে, আমাকে সাহরীও করায়! আবার সকালে আমাকে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ঐ রাতে আমি ও আমার পরিবারের কেউ তো ঘুমাইতে পারিনাই! তবে আমার সাথে ঘুমায়নাই আরো ২ টা লোক, একটা আমার সেই বন্ধু আর অপরজন হলেন শ্রদ্ধেয় তাজাম্মুল স্যার! উনি ইন ফ্যাক্ট, আমি পরের দিন দুপুরবেলা স্যারেন্ডার করার আগ পর্যন্ত বিন্দুমাত্রও ঘুমাননি! প্রতি আধা ঘন্টা পরপর তার সাথে আমার কথা হচ্ছিলো হোয়াটসঅ্যাপ কলে। আমি যখন এই ঘটনা কোথাও বলি বা লিখি তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাজাম্মুল স্যারের নামটা বারবার চলে আসে! কারণ উনি সেসময় স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজেকে সীমাহীন কষ্ট দিয়ে রমজানের সময়ে আমাকে যেইভাবে সাপোর্ট করে যাচ্ছিলেন সর্বোতভাবে, তা আসলে কোনদিনই ভোলার নয়! আল্লাহ উনাকে উত্তম জাযাহ দিক...

আমার আব্বু এবং ছোট মামার সাথে কথা হইসিলো, উনারা ডিবি অফিস থেকে ফিরে আসার পর। তারা জানাইলো যে আমার বিরুদ্ধে আমারই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমারই শিক্ষকগণ, প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে ডিবির হারুনের কাছেই অভিযোগ দেয় সরাসরি! তারা আমাকে #শিবিরসন্দেহে ধরতে বলে এবং প্রমাণস্বরূপ আমার ফেসবুক আইডি ও কিছু স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট সরবরাহ করে। সেই ২-৩ টা স্ট্যাটাস ছিলো, শেখ মুজিবকে নিয়ে করা মকারি! তারই প্রেক্ষিতে ডিবি আমার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেয়, কিন্তু আমার ফোন বন্ধ থাকায় তারা আমাকে খুঁজে বের করতে পারেনি! তাই আমার পরিবারকে জিম্মি করে, আমাকে আটক করার জন্য! যাই হোক, সব শুনে আমি সিদ্ধান্ত নেই স্যারেন্ডার করবো। তবে এর আগে আমার বড় মামা এবং অধ্যাপক তাজাম্মুল স্যার তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন কোন তদবীরের মাধ্যমে আমার এই কেইস ডিসমিস করার! এটলিস্ট আমাকে যেন আটক না করা হয় সেই ব্যবস্থা করার। বড় মামা একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী পর্যন্ত, তাজাম্মুল স্যার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত এবং আমার আব্বু তার সাবেক কর্মস্থল ডিজিএফআই পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেন! তারা সবাই প্রাথমিক ভাবে রাজি হইলেও যখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনতো, তখন অপারগতা প্রকাশ করতো! পরবর্তীতে তাজাম্মুল স্যার সহ সবাইকে ক্ষান্ত করে ২৮শে মার্চ দুপুরে আমি স্যারেন্ডারের জন্য রওনা হই মিন্টু রোডের উদ্দেশ্যে...

উল্লেখ্য যে, আমার আব্বুকে ২৮ তারিখ সকালে ঐ টিমের একজন এসআই ফোন দিয়ে বলতেসিলো আমাকে নাকি মুচলেকা নিয়েই ছেড়ে দেয়া হবে! আমি নাকি খুব গুরুতর কোন অপরাধ করিনাই, জাস্ট ফেসবুক পোস্টই তো দিসি। তো এইটা উনাদের সামনে ডিলিট করতে হবে এবং আর কখনো এরকম করবো না মর্মে মুচলেকা দিলেই ওরা আমাকে ছেড়ে দিবে! যদিও আমরা সবাই বুঝতেসিলাম যে এইটা ট্র‍্যাপ, বাট উই ডোন্ট হ্যাভ এনি আদার চয়েস! তাই অনেক আশায় বুক বেঁধে আল্লাহর উপর ভরসা করে আমার আব্বুও আমার সাথে রওনা দেয়। কিন্তু ডিবি হেডকোয়ার্টারের গেটে পৌঁছানোর পর আমার আব্বুকে বাধা দিয়ে আমাকে আটক করে নিয়ে যায় এক এএসআই! সেই যে গেলাম, তার ১২ দিন পরে আমি খোদার ফজলে বাসার ফিরে আসি ৮ই এপ্রিল ২০২৪ তারিখ রাতে...

আমাকে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার পর ডিবি অফিসের মূল বিল্ডিংয়ের ৪ তলায় লালবাগ জোনের স্পেশাল টিমের এডিসি রাকিবের রুমে নিয়ে যায়। উল্লেখ্য যে, গোপালগঞ্জ বাড়ী এই এডিসি রাকিব নাকি আমার জগন্নাথের বড় ভাই! কিন্তু এরপরও তারা আমাকে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত টানা তিন ঘন্টা, অকথ্য নির্যাতন চালায়! পিটাইয়া তক্তা বানানো কারে বলে, আমি ঐদিন সেটা টের পাইসি! আবার সারাজীবন শুনেছি বাঁশডলার নাম, ঐদিন আমাকে সেইটার স্বাদ গ্রহণ করানো হইসিলো! তারা আমাকে জিজ্ঞেস করতো, আমি রোজা কিনা? হ্যাঁ বলতেই তারা অকথ্য গালি শুরু করার পাশাপাশি সেই ভয়াবহ মাইর শুরু করতো! কেনো আমি তাদের পিতা, তথা সোহরাওয়ার্দীর বডিগার্ড ও গোয়ালন্দ ঘাটের ডাকাত মুজিবকে অপমান করলাম! কেনো আমি আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনা বিরোধী, দেশটা এখন তাদের! আমার বাপ সরকারী চাকুরী করে, অতএব আমি হাসিনার টাকা খাই ও মুজিবের দেশে থাকি! তাইলে এরপরও আমি কেমনে এই কাজ করি?! তারউপর তাদের জেদ ও ক্ষোভের মূল কারণ হইলো আমাকে আগের দিন এরেস্ট করতে না পারা এবং আমার অসম্ভব রকমের পাকিস্তান প্রীতি! সবমিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতো ওরাও ধরে আমি শিবিরের অনেক বড় ক্যাডার, আমার কোন ক্ষমা নাই! রাষ্ট্রদোহীতার অপরাধে আমাকে শাস্তি প্রদান করা হবে...

এরপর ইফতারের আগ মুহুর্তে আমাকে নিস্তার দেয়, গারদে আটকে রাখে ৩ দিন! প্রতিদিন একাধিকবার ইনভেস্টিগেশন করে, আমার মোবাইল আর ফেসবুক আইডি ঘাটে। মোবাইলের, মেইলের এবং ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম সহ সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলোর পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে সব তাদের দখলে নেয়! যা উদ্ধার কর‍তে আমার ২ মাস লাগে। এরপরে আমাকে কোর্টে সোপর্দ করার আগের দিন যখন আমার কাছে খুঁজে তারা কিছুই পেলো না তখন আমাকে জানায় যে আমার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কুখ্যাত সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা আমার ও আমার পরিবারের সাথে এমনটা করে। এখানে উল্লেখ্য যে, আমাকে ২৮ তারিখ বিকেলেই এডিসি রাকিব তার লালবাগ জোনের কুখ্যাত ডিসি মশিউর (যিনি বর্তমানে ৮ টা হত্যামামলায় জেলহাজতে আছেন)-এর নির্দেশে আমাকে ডিবির সাইবার সাউথের এডিসি সোলায়মান যিনি নিজেও সাবেক জবিয়ান! তার কাছে হস্তান্তর করে এবং এডিসি সোলায়মান তার অন্তর্গত অর্গানাইজড ক্রাইম টিমের এসি শিপ্রা রাণী দাসের আন্ডারে আমাকে আটক দেখান। উনারা পরবর্তী ৩ দিন আমাকে আটকে রেখে আমার পরিবারকে কোন তথ্য না দিলেও আমাকে আর মারধোর করেননি! এসি শিপ্রার নিয়োগকৃত ইনভেস্টিগেশন অফিসার যিনি কিনা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিউটন হাওলাদারের খালাতো ভাই, তিনি মোস্তফা কামাল ও নিউটন সহ আরো কিছু শিক্ষক এবং ছাত্রলীগের ফরাজী ও আকতার উভয় গ্রুপের কারা কারা আমাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলো সেই নামগুলো বলে দেন! তার আপন খালাতো ভাইকেও তিনি অপরাধী হিসেবে আড়াল করেননি আমার সামনে...

এরপর কোর্ট হয়ে আমি জেলে যাই। ঈদ ঘনিয়ে আসায় খুব দ্রুতই তথা মাত্র ৯ দিনের মাথায় আমি বাড়ী ফিরে আসি আল্লাহ ইচ্ছায় এবং আমার পরিবার, উকিল ও বন্ধুবর ভাই ব্রাদারদের আন্তরিক প্রচেষ্টায়! পরবর্তী শুনানির দিনই আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আমাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এই টোটাল চ্যাপ্টারটা খুবই সংক্ষিপ্ত হইলেও, এর অভিজ্ঞতা ছিলো আমার এই লেখাটার মতোই অনেক বেশী দীর্ঘ! যারা পুরোটা পড়েছেন, তাদের প্রতি আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি! শুকরিয়া...



মূল পোস্টঃ

https://www.facebook.com/
iamabrarhamim/posts/pfbid02zkMurgY6djU6sKtxFsE8uCJEF4FU8oTes35zNw3r6kRgCyJT6J8G5myhwDVRwJBkl

ট্যাগঃ

পুলিশের অত্যাচার

হাসিনার অপকর্ম

স্বৈরাচারের ইতিহাস 







Comments