Posts

Showing posts from October, 2024

৭ ই মার্চ নিয়ে যারা কান্নাকাটি করতেছেন তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে-

 আওয়ামীলীগ প্রথমবার ক্ষমতায় ছিল ৭২ থেকে ৭৫ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ছিল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ তৃতীয়বার ক্ষমতায় ছিল ২০০৮ থেকে ২০২৪ অর্থাৎ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ছিল মোট ২৪ বছর। এই ২৪ বছর ক্ষমতার ২১ তম বছরে এসে তারা ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষনা করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশের বয়স ৫০ বছর। এত বছর আওয়ামীলীগের কেউ ৭ই মার্চের ছুটি নিয়ে কান্দে নাই। আপনারা কোন চ্যাডের বাল হইছেন যে ৭ই মার্চ নিয়ে কানতেছেন! বিদ্রঃ ৭ ই মার্চের যে ভাষণ নিয়মিত শোনানো হয় তাও এডিট করে কাটকাট করা অংশটুকু শোনানো হয়। পুরো ভাষণ শোনানোর সাহস আওয়ামীলীগের নাই। পুরো ভাসনটা ইউটিউবে পাওয়া যায়। বিবিসির আর্কাইভে আছে। ইতিহাস লুকিয়ে লাভ নাই। ভাষনের শেষ কথাটি ছিল "জিয়ে পাকিস্তান"! © ফখরুল ইসলাম

নিজে বাপ হইয়্যা ছেলেকে কাঁধে করে নিয়ে কবরে রাখলাম

Image
 নিজে বাপ হইয়্যা ছেলেকে কাঁধে করে নিয়ে কবরে রাখলাম— এইডার মতো কষ্ট দুনিয়াতে আর কিছু আছে বইল্যা মনে হয় না। শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বাবার এই কথা শুনে নিস্তব্ধ হয়ে গেলাম। হৃদয়ে কতটা ক্ষত সৃষ্টি হলে সন্তানহারা একজন বাবা এভাবে প্রকাশ করতে পারে তার চাপাকান্না। ১৯জুলাই শুক্রবার ছিল, সৈকত জুমার নামাজ পড়ে বাসা এসে খাওয়া-দাওয়া করে। এরমধ্যে জানতে পারে তার এক বন্ধুর গায়ে রাবার বুলেট লেগেছে। সৈকত মায়ের কাছে অনুমতি চাইল, তার এক বন্ধু গু-লিবিদ্ধ হয়েছে। বন্ধুকে ইমার্জেন্সি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। মা তাকে অনুমতি দিয়ে বলল, হাসপাতাল থেকে তুই দেখিস আবার রাস্তায় যাইস না, বাপ। সৈকত মাথা নেড়ে না-বোধক সম্মতি দিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেল।  বাবাকেও কল দিয়ে একই কথা বলে অনুমতি নেয়। এর আগের রাতে মাকে বলছিল, তুমি আমাকে বাসা থেকে বের হতে দিচ্ছো না। আমাদের বয়সী কত কত ছেলে রাস্তায় মারা যাচ্ছে। আমি ঘরে বসে রইলাম, নিজেকে কাপুরষ মনে হচ্ছে। অনুমতি নিয়ে দুপুরে বের হয়ে ঘন্টাখানেক পার হয়ে গেলেও ছেলের কোনো খোঁজ-খবর না পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় মা। ছেলেকে একাধিকবার কল দেয়, কোনভাবে কানেক্ট করতে পারতেছেন না। যখন জহুরে...

মাহফুজ আনামের শেখ মুজিবের জন্য কাঁদার সময় কায় কাউস ভাই কর্তৃক মুজিবের কাপড় খুলে দেয়ার যে ব্যাপারটা ...

// মীরজাফরীর পুরুস্কার হিসেবে শেখ মুজিব ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ভারতের বন্দুকের জোরে পেয়েছেন গদি এবং ওদের বন্দুকের জোরেই গদিতে টিকে আছেন। এই পুতুল সরকারকে সামনে রেখে রাশিয়ার পদলেহী ইন্দিরা প্রত্যক্ষভাবে আমাদের দেশকে শাসন করছে, আর ধূর্ত রাশিয়ানরা আড়ালে থেকে পুতুল সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছে, নিয়ন্ত্রণ করছে আমাদের দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতি, সামরিক নীতি ও সংস্কৃতিকে। উপরন্তু, শেখ মুজিবই ডেকে এনেছে মার্কিন ও অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী দস্যুদেরও। এই হচ্ছে মুজিববাদ মার্কা "স্বাধীনতার" আসল রূপ॥" — কমরেড মোহাম্মদ তোয়াহা / কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) কর্তৃক প্রচারিত ( ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ )  তথ্যসূত্র : ড: সাঈদ-উর রহমান / ১৯৭২-১৯৭৫ : কয়েকটি দলিল ॥ [ নয়ন প্রকাশন - জুন, ২০০৪ । পৃ: ১৯২-১৯৪ ] // 

‘মুজিব কিসের জাতির পিতা?’ : বদরুদ্দীন উমর

 ঢাকা, ১৯ অক্টোবার, ২০২৪ (বাসস) : শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বর্ষীয়ান বাম রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর। তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ দুবার তাঁর (মুজিব) বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। একবার ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আরেকবার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার-সংবিধান-রাষ্ট্র চাই’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বদরুদ্দীন উমর একথা বলেন। আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল এই সভার আয়োজন করে। লেখক, গবেষক, রাজনীতিক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি বদরুদ্দীন উমর বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে হত্যা করার পর একজন লোকও তাঁর পক্ষে রাস্তায় নামেনি। স্বাধীনতার পর সাড়ে তিন বছরে শেখ মুজিব কী করলেন, যাঁর জন্য মানুষ এটা করল, তা হিসাব করতে হবে। তিনি বলেন, তাঁর আসল পরিচয় পাওয়া যায় যখন তিনি ক্ষমতায় আসেন। তখন এই দেশের জনগণকে তিনি কী দিয়েছেন? বদরুদ্দীন উমর বলেন, তারপর গত ৫ আগস্ট সারা দেশের জনগণ শেখ মুজিবের মূর্তি ভেঙে ফেলল। তাঁর বাড়িতে আগুন দিল। এটাও শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে একটা রায়। ভারত শেখ হাসিনা সরকারের পতন এখন পর্যন্ত...

অলস এবং অযোগ্যদের দল হচ্ছে জামাত-শিবির

 জামাত নেতাদের ট্রাইবুনালের মামলাগুলিতে স্বাক্ষীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য দুই মাস ধরে দৌড়াদৌড়ি করছি। দল হিসাবে জামাত এবং ব্যক্তি হিসাবে শহীদ নেতাদের অথর্ব ছেলেরা কোন সহযোগিতাই করছে না। হাজারবার বলার পরও স্বাক্ষীদের কাছে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে না।  নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলে স্বাক্ষীরা স্বেচ্ছায় পুরা ঘটনা এমনিই খুলে বলবে। কিন্তু কেউ এই কাজটা করছে না। যোগাযোগ করলে একশোরকম আইনী যুক্তি দিচ্ছে, একশো একটা টেকনিকাল কথা বলছে। কিন্তু কোনভাবেই স্বাক্ষীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার ব্যবস্থা করছে না।  এই মহামান্যরা মনে করে যে ট্রাইবুনাল একটা লিগ্যাল বিষয়। অথচ এটা যে একটা সামাজিক বা পাবলিক অপিনিয়নের বিষয় সেটা এই মহামান্যদের বোঝানো যাচ্ছে না।  এটিএম আজহার তো জীবিত আছে। ওর ছেলেও ইন্টারভিউ নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে না। দুই মাস ধরে পাবলিকলি এবং ইন্টার্নালি পরিবারগুলি ও দলকে নসিহত ও তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছি- কোন অগ্রগতি নাই। অলস এবং অযোগ্যদের দল হচ্ছে জামাত-শিবির। https://www.facebook.com/ ishrak.remian/posts/pfbid02fy78jMuLiDeae6PmSrRm2yj6cmkGTjPaNQ9iSFPXLs3SLpvRCn1jnKM7S5iJzgWAl

চট্টগ্রামে জেএমসেন হলের পুজার অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম কালচারাল অ্যাকাডেমি নামের গান

 চট্টগ্রামে জেএমসেন হলের  পুজার অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম কালচারাল অ্যাকাডেমি নামের গানের দলের  ইসলামী গান গাওয়ার ঘটনাটা প্রথমে প্রচণ্ড ইন্সেন্সিটিভ মনে হলেও, যত বেশী তথ্য জানতে পারছি তাতে মনে হচ্ছে, ঘটনার চেয়ে  ঘটনার প্রতিক্রিয়া বেশী ইন্সেন্সিটিভ হচ্ছে  - এবং মনে হইতেছে  আমাদের সমাজ এমন এক অসহিস্নুতায় পৌঁছেছি যে, আমরা চাইলেও আর স্বাভাবিক হইতে পারবো না।  প্রথমত, ঘটনাটা শুনে মনে হয়েছিল, পুজার মন্ডপে  জোর করে শিবিরের ছেলেরা ইসলামী গান গেয়ে আসছে । সেই ভাবেই ঘটনাটা   ফ্রেম করা হয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, আয়োজকরাই  চট্টগ্রাম কালচারাল অ্যাকাডেমি নামের গ্রুপটাকে  দাওয়াত দিয়েছিল, গান গাইতে।  শুনলাম পুজা কমিটির যে সদস্য দাওয়াত দিয়েছিল, তাকে বহিস্কার করা হয়েছে।  কেন ?  শিবিরের ছেলেরা  পুজার অনুষ্ঠানে জোর করে ইসলামী গান গেয়েছে,  সেই পারসেপশান ভেঙ্গে যাচ্ছে বলে ?  গানের সিলেকশান নিয়ে আলাপ শুনলাম। আলাপ আসছে,    শাহ আব্দুল করিমের গান টা ঠিক আছে, কিন্তু,, কেবল মুসলমানের লাগি গানটা ঠিক নাই।  আমার বিপ্...

এই বেঈমানির কথা মনে রাখলাম।

 - নিজেরা আমন্ত্রন জানাইলো গান গাওয়ার জন্য। - সেখানে অসাম্প্রদায়ীক দুইটা গান গাওয়া হইলো। - গান গাওয়া হলে ধন্যবাদ জানাইলো। - গানের কাটছাট ভাইরাল করলো। - আবার নাকি গ্রেফতার মামলা দিলো। এই হইল হিন্দুদের অবস্থা। এইটা নাকি আবার সার্বোজনীন উৎসব। বেঈমানী আর মূর্খতার লিমিট নাই কোন। আলহামদুলিল্লাহ। সামান্য একটা ইস্যু এত আলোচনায় থাকায় যা লাভ হলো: - পূজায় আসলে অন্য ধর্মের লোক বা মুসলিমদের হিন্দুরা চায়না সেটা পরিষ্কার। - উৎসব সবার এই ন্যারেটিভ শেষ। - হিন্দুরা গুজবে বিশ্বাসী প্রমানিত - ওদেরকে সহমর্মিতা দেখালে ঘাড়ে চেপে বসবে প্রমাণিত - ভবিষ্যতে জামায়াত বা শিবির আরো সতর্ক হবে হিন্দু প্রীতিতে - সবচেয়ে বড় উপকার হলো: বড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটে এইটার উপর দিয়ে হিন্দুদের এইবারের ব্লেমগেম শেষ হবে আশা করি।

আবরার ফাহাদ ছিলো আমাদের জন্য একটা প্যারামিটার।

 এই দিনের আগ পর্যন্ত আমি আওয়ামীলীগকে মানুষ মনে করতাম।  বাট আবরারকে মারার পর থেকে আমি আওয়ামীলীগকে আর মানুষ মনে করি না।  না, তারমানে এই না যে আওয়ামীলীগ আগে ভালো ছিলো। জাস্ট আওয়ামীলীগ যে কতটা খারাপ, ঐটা আবরার ফাহাদ আমাকে দেখাইয়া গেছিলো।  এবং এই দিনের পর থেকে যারা আওয়ামীলীগ সমর্থন করে, তাদেরকেও আমি মানুষ মনে করি না। মানসিকভাবে বিকৃত মানুষ মনে করি। আবরার আমাদের জন্য ছিলো একটা ধাক্কা। একটা বজ্রপাত।  আবরারের মৃত্যুই আমাদের প্রথমবারের মতো মনে করাইছিলো, আওয়ামীলীগের হাতে আমরা কতটা অনিরাপদ। জাস্ট সন্দেহ হলেই আওয়ামীলীগ আমাদের ডেকে নিয়ে মেরে ফেলতে পারবে।  আবরারই প্রথমবারের মতো আমাকে বুঝাইছিলো, পতাকা বা সংবিধান আপনাকে স্বাধীনতা দেয় না। স্বাধীনতা দেয় শাসক।  আবরারই আমাকে প্রথম বুঝাইয়া গেল, পিন্ডির থেকে স্বাধীন হলেও আমরা এখনও দিল্লীর থেকে স্বাধীন হইনি। শেখ মুজিব পাকিস্তানে বসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেয়েও বেঁচে থাকতে পেরেছিলো, কিন্তু আবরার ফেনী নদীর পানি চেয়ে আর বেচে থাকতে পারলো না।  আমি বুঝেছিলাম, ছাত্রলীগ কী ভয়ঙ্কর একটা সংগঠন। আমি বুঝেছিলাম, হাসিনা ...

এই স্ট্যাটাসের পর যুদ্ধাপরাধ মামলা নিয়া সব রায়ের নৈতিকতা আর থাকেনা।

Image
 একটি আদর্শ কন্যা সন্তানের পিতা দুনিয়া এবং  আখেরাতের সবচেয়ে গর্বিত পিতা। যে দিন আমার বন্ধু সুরেন্দ্র কুমার সিনহার মেয়ের মাথায় নাইন এমএম পিস্তল ঠেকিয়ে জামায়াতের নেতাদের রায় নেওয়া হয়। সেদিন রাত আনুমানিক ২ টা বাজে সিনহা আমাকে কল দিয়ে পুরো ঘটনা টা বলে এবং সে আপসোস করে আমাকে বলে (বন্ধু আজ তারা পুরো মুসলিম জাতির কাছে আমাকে ভিলেন বানিয়ে দিয়েছে। তখন আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি তাদের  পরের টার্গেট আমি। আমার মেয়েটা ছোট তখন সে ক্লাস নাইনে পড়ে  তাই এনিয়ে আমি আমার মেয়েকে সাবধান করতে গিয়েছিলাম। তখন আমার এ-ই ছোট্র মেয়েটি আমাকে  বলে..  বাবা আমি জানি তুমি আমাকে নিয়ে খুব টেনশনে আছো।  বাবা আমি এটাও জানি সিনহা আঙ্কেলের মেয়ের মতো কেউ হয়তো আমার মাথায়ও পিস্তল ঠেকিয়ে তোমাকে অন্যায় রায় লিখতে বাধ্য করতে পারে।    কিন্তু বাবা জানো.? আমার স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল ​​যখন সবার সামনে এসে তোমার প্রশংসা করতে থাকে তখন আমার এত ভালো লাগে যে বলে বোঝাতে পারব না।     বাবা কখনো যদি এমন হয় তুমি রায় লিখার সময় কেউ আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তোমাকে তাদের ইচ্ছে মতো রায় লিখতে বলে ত...

সন্ত্রাসবাদ ছড়ায় কারা?

Image
  এএফপি'র ফ্যাক্টচেকার শিশির ভাই দেখিয়েছেন, তসলিমা নাসরিন এখানে আনন্দবাজারের যে উক্তিটা শেয়ার করেছে, সেটা আনন্দবাজার তসলিমা নাসরিনেরই আগের একটা স্ট্যাটাসের বরাত দিয়ে লিখেছিল। অর্থাৎ, যেটা ঘটেছে: (১) প্রথমে তসলিমা নাসরিন কোনো রেফারেন্স ছাড়া মনগড়া একটা স্ট্যাটাস দিয়ে দাবি করেছে, মাহফুজ আলম হিযবুত তাহরিরের নেতা। (২) আনন্দবাজার অন্য কোথাও মাহফুজকে ডিফেইম করার কিছু খুঁজে না পেয়ে তসলিমার সেই স্ট্যাটাসকেই উদ্ধৃত করে নিউজ করেছে। (৩) এবার তসলিমা আবার আনন্দবাজারকে "রেফারেন্স" হিসোবে ব্যবহার করে সেই মনগড়া বানানো তথ্যটা শেয়ার করছে। সারক্যুলার রেফারেন্সের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। আর (৪) এই পুরো ব্যাপারটাতে যোগসূত্র সাধনের মহান কাজটা করেছে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের জনপ্রিয় পেজ, Friday Post।  আনন্দবাজারের এই দাবির অর্থ কী? প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ উপদেষ্টা এমন একটা দলের নেতা, যেই দলটা বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ, যেই দলের সমর্থকরা গত কয়েকদিন ধরে বিশেষ ধরনের পতাকা নিয়ে শোডাউন করছে।  এরকম নিউজের পর নিউজ, প্রপাগান্ডার পর প্রপাগান্ডা যদি আসতে থাকে, সেই সাথে জয়ের নিয়োগকৃত লবিইস্টদের প্রচেষ্টা যদি অব্যাহত থাকে...

অতি-বিপ্লবী ইসলামপন্থীদের দ্বারাই হবে ইসলামী রাজনীতির ধ্বংস

 ইসলামপন্থীদের যেটুকু ভালো ইমেজ তৈরি হয়েছে, সেটা শায়খ আহমাদুল্লাহ'র কারণে হোক, আর জামায়াতের আমিরের নিরলস ছোটাছুটি আর গণসংযোগের কারণে হোক, সেটা যদি ধ্বংস হয়, তাহলে বামপন্থীদের দ্বারা হবে না। অতি-বিপ্লবী ইসলামপন্থীদের দ্বারাই হবে।  বামপন্থীরা প্রমাণিত শত্রু। তাদের প্রপাগাণ্ডা এর আগে গ্রহণযোগ্যতা পেলেও গত কয়েক দশকে ধীরে ধীরে সেগুলো গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। কিন্তু ইসলামপন্থীদের মধ্যে যে বিপ্লবী অংশ, যারা আজকেই খিলাফত কায়েম করতে হবে, সশস্ত্র লড়াই করতে হবে টাইপ মনোভাব পোষণ করে, সেটা বাল্কায়েদাই হোক বা অন্য কোনো ফ্যাকশন, তাদের রিস্কটা এখনও আমাদের কাছে অপ্রকাশিত। মিসর-লিবিয়া-ইরাক - প্রতিটা দেশের দিকে তাকান। সেখানে জনগণ শাসকশ্রেণির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল গণতন্ত্রের জন্য। এই গণতন্ত্রের দাবিদারদের মধ্যে প্রথম সারিতে ছিল পলিটিক্যাল ইসলামিস্টরা, তথা মুসলিম ব্রাদারহুড।  কিন্তু এরপর যে প্রতিটা দেশে ব্রাদারহুড পরাজিত হয়েছে, তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা বড় কারণ হচ্ছে সালাফিদের ভূমিকা - কোথাও মাদখালি সালাফি, কোথাও জিহাদি সালাফি। নিয়ত যেটাই থাকুক, ধরে নিচ্ছি নিয়ত ভালোই ছিল, কিন্তু দিন...

কালিমার পতাকা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কখনোই কোন সমস্যা ছিলো না।

 কালিমার পতাকা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কখনোই কোন সমস্যা ছিলো না।  বাংলাদেশ আর্মির পতাকায় কালিমা আছে। সেই পতাকা নিয়ে কারো একটা আপত্তি দেখেছেন?  আমাদের আপত্তি জেএমবি, বাল্কায়েদার পতাকা নিয়ে।  কারণ এই জেএমবি আর বাল্কায়েদারা কীভাবে মুসলিম দেশগুলোকে ধ্বংসজজ্ঞ চালাইছে, কিভাবে কাদের পারপাস সার্ভ করেছে, আমরা জানি।  জানি বলেই, আমরা বাংলাদেশ আর্মি বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা কামীদের পতাকার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ধারণ করি, বাট জঙ্গিদের পতাকা প্রত্যাখ্যান করি।  সমস্যাটা পতাকার উপরে না, সমস্যাটা মানুষের উপরে।  ধরেন শেখ হাসিনা মানুষ খুন করে যখন ইসলামের কথা বলতো, তখনও হাস্যকর ই লাগতো। এর মানে এই না যে আমি ইসলামের বিরোধিতা করেছি।  সেইম কথাটাই আবার ইসমাইল হানিয়া বললে সেইটা আমরা বিশ্বাস করেছি। হাসিনারটা করিনি।  কালেমা নিয়ে কারো কোন সমস্যাই নাই।  তবে জঙ্গি নিয়ে আছে। জেএমবি নিয়েও আছে।  এই জেএমবি এই কালো পতাকা দেখাইয়াই ৬৩ জেলাতে বোমা মেরেছিলো।  কাজেই, কালেমা আমাদের প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তেরা মেরা রিশতা কিয়া, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তো আমাদের স্ল...

নবীজীর ওফাতের পরপর মুসলমানদের শাসক কে হবে

 নবীজীর ওফাতের পরপর মুসলমানদের শাসক কে হবে, কিভাবে সেই শাসক নির্ধারণ করা হবে তা নিয়ে বিরাট হাঙ্গামা বেঁধে যায়। এসময় আনসাররা নেতৃত্বের দাবী জানালেও আবু বকর (রা) বলে দেন যে কুরাইশরা ছাড়া কেউ নেতা হতে পারবে না। নেতৃত্বের নাম খেলাফত নবীজী দিয়ে যান নাই। কোরানেও নাই। পরবর্তীতে মুসলমানরা নিজেরাই নেতার নাম খলিফা দেয়। আর এই ব্যবস্থার নাম যে খেলাফত সেটা আসে আরও পরে। খলিফা কিভাবে নির্বাচিত হবে সেটা নিয়েও কোন নির্দিষ্ট রুপরেখা ইসলামে কোন কালেই ছিল না। প্রথম চার খলিফা চারভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কেউ নির্বাচিত হয়েছেন শূরার মাধ্যমে, সেই শূরা আবার নির্বাচিত হয়েছে প্রভাব বিবেচনায়। অর্থাত, গণতান্ত্রিকভাবেও খলিফা নির্বাচিত হয়েছে। আবার কেউ নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বতন খলিফার ইচ্ছানুসারে। আবু বকরের (রা) খেলাফতও প্রশ্নাতীত ছিল না। নবীজীর সম্পত্তির ভাগবটোয়ারা কিভাবে হবে সেটা নিয়েও ছিল তীব্র দ্বিমত। ফাতেমা (রা) আমৃত্যু আবু বকরের সাথে (রা) মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আলী (রা) আবু বকরের (রা) হাতে বায়াত দিতেও দেরি করেন এই কারণে (যদিও কোন কোন রেওয়াতে আছে যে আগেই একবার বায়াত উনি দিয়েছিলেন পরে সম্পর্ক খারাপ হয়)।...