কালিমার পতাকা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কখনোই কোন সমস্যা ছিলো না।

 কালিমার পতাকা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কখনোই কোন সমস্যা ছিলো না। 

বাংলাদেশ আর্মির পতাকায় কালিমা আছে। সেই পতাকা নিয়ে কারো একটা আপত্তি দেখেছেন? 

আমাদের আপত্তি জেএমবি, বাল্কায়েদার পতাকা নিয়ে। 

কারণ এই জেএমবি আর বাল্কায়েদারা কীভাবে মুসলিম দেশগুলোকে ধ্বংসজজ্ঞ চালাইছে, কিভাবে কাদের পারপাস সার্ভ করেছে, আমরা জানি। 

জানি বলেই, আমরা বাংলাদেশ আর্মি বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা কামীদের পতাকার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ধারণ করি, বাট জঙ্গিদের পতাকা প্রত্যাখ্যান করি। 

সমস্যাটা পতাকার উপরে না, সমস্যাটা মানুষের উপরে। 

ধরেন শেখ হাসিনা মানুষ খুন করে যখন ইসলামের কথা বলতো, তখনও হাস্যকর ই লাগতো। এর মানে এই না যে আমি ইসলামের বিরোধিতা করেছি। 

সেইম কথাটাই আবার ইসমাইল হানিয়া বললে সেইটা আমরা বিশ্বাস করেছি। হাসিনারটা করিনি। 

কালেমা নিয়ে কারো কোন সমস্যাই নাই। 

তবে জঙ্গি নিয়ে আছে। জেএমবি নিয়েও আছে। 

এই জেএমবি এই কালো পতাকা দেখাইয়াই ৬৩ জেলাতে বোমা মেরেছিলো। 

কাজেই, কালেমা আমাদের প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তেরা মেরা রিশতা কিয়া, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তো আমাদের স্লোগান ই। নারায়ে তাকবীর স্লোগানটা আর্মিদের ট্রেনিং এও দেওয়া হয়। 

ঐ স্লোগানের পক্ষে আছি। ঐ স্লোগান ধারণও করি।

কিন্তু যেই নারায়ে তকবীর বলে হোলি আর্টিসানে মানুষ খুন করা হয়, ঐ স্লোগানের পক্ষে নাই। 

সমস্যাটা স্লোগানে না, কে কেমনে ইউজ করতেছে, তার উপর। 

হযরত উসমান খুন হয়েছিলেন জঙ্গিদের হাতে। তাদের হাতেও তো কুরআন ছিলো। কালেমা ছিলো। 

বাট সেই কালেমা হযরত উসমানের কালেমা নাকি তাকে খুন করতে চাওয়া লোকজনের কালেমা, ঐটা নির্ণয় করতে পারা জরুরি।

- সাদিকুর রহমান খান

Comments