Posts

Showing posts from December, 2024

আসিফ নজরুল - জোনায়েদ সাকী - জাতীয় পার্টি

বঙ্গভবনে রাজনৈতিক দলের নেতা ও সমন্বয়কদের যাওয়া নিয়ে এখন নানামুখী বির্তক চলছে। আমি উল্লেখযোগ্য কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না হওয়া সত্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট সেনা সদরে অতঃপর বঙ্গভবনে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেনা সদরে আসিফ নজরুল স্যার কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিভাবে সরকার গঠন হতে পারে তার কোন হোমওর্য়াক করেছেন কিনা। উনার উত্তর ছিল গত কয়েকদিন পালিয়ে কাটিয়েছেন, হোমওয়ার্ক করবো কখন। উনার বডি ল্যাঙ্গিয়ুজ, কথাবলার ধরণ যা কিছু দেখেছি তাতে আমি বিশ্বাস করি উনি সত্য কথাই বলেছিলেন।  সেনা প্রধান বক্তব্য শেষে যখন সবাই কে তাঁর সাথে বঙ্গভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলেন তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দই প্রথমে যেতে চাননি। সেনাপ্রধান দেশের ক্রান্তিলগ্নে সবার সহযোগিতা চেয়ে বারবার রিকুয়েস্ট করছিলেন অপরদিকে জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে বারবার বলছিলেন যে আমাদের যাওয়া উচিৎ। পরে সবাই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেনা সদরে গিয়েছিলেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , মির্জা আব্বাস,  জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান, হামিদুর রহমান আজাদ , জাতীয় পার্টির জি এম কাদে...
 অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র প্রদান কমিটি আজকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের শ্বেতপত্র অফিসিয়ালি হস্তান্তর করেছে। কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, যার ক্রেডিবিলিটি নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। এছাড়া, আরো যারা যারা আছেন, প্রত্যেকেই সংশ্লিষ্ট কাজে সেরা সেরা লোক, রাজনৈতিকভাবে বায়াসড হবার কোন অতীত ইতিহাসও তাদের নাই।  তো, সেই কমিটির শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩, এ সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ পাচার করেছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে ফোকলা করে দেয়া হয়েছে, খেলাপী ঋণের সম্ভাবনায় রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকার উপরে, যা দিয়ে বানানো সম্ভব হতো ২২ টা পদ্মা সেতু, ১৩ টা মেট্রোরেল প্রজেক্ট। জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ খাতের উপর সেই ৪০০ পেইজের রিপোর্টে একটি  অধ্যায় আছে, যার শিরোনামটাই চমকপ্রদ, A System designed for corruption. "। এমন একটি প্রক্রিয়া, যেটাকে বানানোই হয়েছে দুর্নীতি করার জন্যে। ৩০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ০৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে প্রজেক্ট শুরু করার আগে কমিশন দেয়ার কাজে, আর বাদ বাকি প্রজেক্ট চলাকালীন এবং পরবর্তী দুর্নীতি বাদই দেয়া হলো।  ২৯ টা মেগাপ্রজেক্টের মধ্যে ...

ঐক্যবদ্ধ জাতি

Image
 

জুলাই - ঐতিহাসিক দিন গুলো

 ১ম কিস্তির পর: সাদিক ভাই যখন কল দিলেন মনে হইলো পুরাই পাগলপারা! ১৫ তারিখের হামলা দেইখা প্রায় ট্রমাটাইজড। তখন আফসোস করলেন— গতকাল সাহস করে দুই তিনজন সামনে দাঁড়াইলেই হইতো, আপুদের রাইখা দৌড়াইয়া জান বাঁচানো ঠিক হয় নাই। যাইহোক, ফোনকলে এটাই বুঝাইলেন— আমাদেরকে যেভাবেই হোক শহীদ মিনারে দাঁড়াইয়া থাকতে হবে ১৬ তারিখ। কিছুতেই যেন হাল না ছাড়ি। ছাত্রলীগ যুবলীগ যেই আসুক না কেন যেন প্রতিরোধ গইড়া তুলি শক্তভাবে। সাহস দিলেন— কইলেন লজিস্টিক সাপোর্ট কিংবা জনশক্তির ব্যপারে যেন চিন্তা না করি। কিন্তু সামনের সারিতে বা আক্রমণ আসলে প্রথম নেতৃত্ব যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীই থাকে। গতকালের মতো যেন দৌড় না দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করি। উল্লেখ্য প্রথম সারির একজন সমন্বয়ক প্রাণভয়ে রেজিস্ট্রার ভবনের ওয়াশরুমে নিরাপত্তা নেন ১৫ জুলাই।  বাসা থেকে যোহর নামাজ আদায় করলাম। দুই রাকাত নফলও। আল্লাহর কাছে দোয়া করলাম যেন বিপদ আসলে সবাই ফেলে দিয়ে চইলা গেলেও আল্লাহ যেন আমার ব্যাকআপ হয়ে দাঁড়ায়। আয়াতুল কুরসি পইড়া রওয়ানা দেই শহীদ মিনারের উদ্দেশ্য। আসন্ন যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ব্যাগের ভিতর হার্ড কাভারের বই, একটা গা...

শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও চট্টগ্রাম শিবিরের দায়

 ১৬ এ জুলাই সকালে মহানগর দক্ষিণ শিবিরের পরিকল্পনা সম্পাদক Tanvir Mostafa  ভাইয়ের ওয়ার্ড সভাপতি গ্রুপে ম্যাসেজ, বিকালে ষোলশহরে পোগ্রাম। (সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার হতো)  মহানগর দক্ষিণ ২নং গেইট থেকে মিছিল সহকারে যাবে ঠিক ৩.০০ টায়। দুপুর ১.০০ টায় ম্যাসেজ এলো ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা ষোলশহর দখল নিয়েছে সবাই যেন মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়। আমি বের হয়ে গেলাম যোহর সহ একবারে প্রস্তুতি নিয়ে। এরমধ্যে আবার ২.০০ টায় অনলাইনে শৃঙ্খলা বিভাগের জরুরী মিটিং ডাকলেন মহানগর দক্ষিণ সেক্রেটারি শাহরিয়ার ভাই। আমার স্মার্ট ফোন না থাকায় সার্কুলার দেখতে পেলাম না। আগ্রাবাদ এসে বন্ধু Md Tanjim  কে ফোন দিলাম কতদূর আসছে তখন তিনি আমাকে জরুরী মিটিং এর কথা বলেন। সবাই ৩.০০ টার পূর্বে ২ নং গেইটে যেন চলে আসে এবং মূল স্পটে অবস্থান না নিয়ে আশপাশে থাকে। পর্যাপ্ত ফাস্ট এইড ও ৩০০ জনের লাঠি থাকবে আমাদের। শাহাদাতের মানসিক প্রস্তুতি তখনই অটো সেট হয়ে যায় সবার। ঠিক ৩.০০ টায় আচমকা শুরু করবে। আমি যেহেতু আগেই বের হয়ে গেছি তাই ৩০ মিনিট পূর্বেই প্লেইস পৌঁছে যাই। নেমেই দেখলাম লীগের সন্ত্রাসীরা হকিস্টিক, লাঠি ও দেশীয় অ...

১৫ জুলাই ২০২৪ - শিবির

Image
 ১৫ জুলাই ২০২৪, শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হা ম/ লার পর তাৎক্ষনিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান নেয়।  নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব, মহানগর পশ্চিম ও মহানগর উত্তর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজ শাখার জনশক্তিরা সাইন্সল্যাব সহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে অবস্থান নেয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনের সময় মূল সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দিতে এবং ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে মহানগর ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলদেরকে নিয়োজিত করা হয়। সেদিনের সংবাদ সম্মেলনের লাইভ ভিডিওটিতে স্পষ্টভাবে বিভিন্ন দায়িত্বশীলদের দেখা যাচ্ছে।  আব্দুল হান্নান মাসুদের পাশেই রয়েছে  ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অফিস সম্পাদক মোঃ আতিকুল ইসলাম, ছাত্রশিবির কবি নজরুল সরকারি কলেজ  এর সাবেক সভাপতি ও মহানগর দক্ষিণের ফাউন্ডেশন এন্ড প্ল্যানিং সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইফুল। আসিফ মাহমুদের পেছনে রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কলেজ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম এ...

বিজেপি বলতেছে, ইউএস ডিপস্টেট ভারতকে টার্গেট করেছে।

 বিজেপি বলতেছে, ইউএস ডিপস্টেট ভারতকে টার্গেট করেছে।  এই কথাটাই ৬ মাস আগেই বলেছিলাম। ওবামা একেবারে প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, মোদির রাজনীতি চলতে থাকলে ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।  এই প্ল্যানটাই আমরা আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন হতে দেখবো খুব সম্ভবত।  কাজেই, ময়ুখের আর অভিমান করে "বাংলাদেশ আর থাকবে না"  বলতে হবে না।  যদি ভুল না করে থাকি, ২০২২ এই ভারত রিলেটেড সমস্ত প্ল্যান আমেরিকার ডিপস্টেট ফাইনাল করেই ফেলেছে।  মোদিকে আবারও ভোট দিয়ে ভারতের জনগণও আমেরিকাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।  সকল প্রতিবেশীকে শত্রু বানিয়ে আর দেশের সংখ্যালঘুদের মেরে কেটে বিজেপিও দেশেই প্লট রেডি করেই রেখেছে।  ময়ুখের অভিমান আগামী ১০ বছরের মধ্যেই কান্না হয়ে ঝড়তে যাইতেসে। আল্লাহ যেন সেইদিন পর্যন্ত আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন। https://www.facebook.com/ 100025116856932/posts/1723205698526642/?rdid=rUhCu6bG9DeRp2Bp

ডেইলি স্টারের ফ্যাসিবাদের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা

Image
  ডেইলি স্টার সম্পাদকের চাটুকারি বক্তব্য। আর হাসিনা ফোন ট্রাপ করে সব খবর পাইতো 

বাংলাদেশে পিস টিভি বন্ধ হয়ে ডেইলি স্টারের রিপোর্টে

  জাকির নায়েকের সাথে তুরস্কে একবার দেখা হয়েছিলো আমার। বললাম, বাংলাদেশে পিচ টিভি কেন বন্ধ করে দেওয়া হলো? উনি বললেন, ডেইলি স্টার মিথ্যা সংবাদ করেছে। আমার ফেসবুক পেইজ নেই, আছে টুইটার একাউন্ট। কিন্তু ডেইলি স্টার নিউজ করেছে, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকার হোলি আর্টিজান সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলাকারী একজন নাকি আমার ফেসবুক পেইজের ফলোয়ার। এর ভিত্তিতে দিল্লী নিউজ করেছে, আমার সাথে জঙ্গি সংযুক্তি আছে। তারপর ঢাকা থেকে অনুরোধ করে দিল্লীর পিচ টিভি বন্ধ করতে, এবং বাংলাদেশেও পিচ টিভি বন্ধ দেয়। জাকির নায়েক অবশ্য বাংলাদেশীদেরকে একটু রাগ হন। তিনি বলেন, ভারতের অসংখ্য মুসলিম পিচ টিভি বন্ধের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের হাইকোটে একটা কেইসও করতে পারলো না। https://www.facebook.com/jobayer.bd/videos/9276097392420998

ইসকন (ISKCON)

 ‘ইসকন (ISKCON)’ নিয়ে কোথাও একটি পূর্নাঙ্গ আর্টিকেল নাই। খাপছাড়া কিছু ভিডিও, কিছু আর্টিকেল খুঁজে খুঁজে দেখতে ও পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি এই সংগঠনের সাথে জড়িত বা এই সংগঠন সম্পর্কে যারা জানেন তাদের থেকে তথ্য নিতে হচ্ছে। আমার আজকের এই আর্টিকেল ‘ইসকন (ISKCON)’ নিয়ে। এই সংগঠন কেন পয়দা হইছে? এই সংগঠনের উদ্দেশ্য কি? এই সংগঠনের বিরুদ্ধে এত এত অভিযোগ কেন? এবং এই সংগঠন কে বাংলাদেশ থেকে বাতিল প্রসঙ্গ সহ নানান আলোচনা ক্ষুদ্র পরিসরে করবার চেষ্টা করছি। ‘ইসকন (ISKCON)’ এর পুর্ণরুপ হলো, International Society for Krishna Consciousness (আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ)। ইসকন ১৯৬৬ সালের ১৩ জুলাই নিউ ইয়র্ক শহরে অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠান শুরুর দিকে ব্যাপক আর্থিক সংকটে পড়ে। শ্রীল প্রভুপাদ (ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা) মূলত বৈদিক শাস্ত্রের ইংরেজি অনুবাদ ও ভাষ্য সম্বলিত বই বিক্রি করে ইসকন প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থ সঞ্চয় করতেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট বই ও পুস্তিকা যেমন ‘Easy Journey to Other Planets’ ও ‘The Science of Self-Realization’ ইত্যাদি। ইসকন প্রতিষ্ঠার শুরুর...

হিন্দুত্ববাদ - ফটোকার্ড

Image
  https://www.facebook.com/photo/?fbid=10229401256558409&set=a.1048629298520

ইসকন - ফরহাদ মাজহার - প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০১৯

 ফরহাদ মজহার : আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ’ বা ইসকন (International Society for Krishna Consciousness) এবং বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা সম্পর্কে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিষ্টান যে ধর্মই হোক, সচেতন নাগরিক মাত্রই বাংলাদেশে কোনো ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক বিরোধ চান না। তাদের অনেকের ধারণা, ইসকনের তৎপরতা এক ধরনের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরি করছে। উৎকণ্ঠা সে কারণেই। জানা যায়, ইসকন এই দেশের সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি নয়, তাদের প্রতিনিধিত্বশীল স্থানীয় কোনো ধর্ম প্রতিষ্ঠানও নয়। বিশেষত তাদের আন্তর্জাতিক ‘করপোরেট অপারেশান’কে মহামতি শ্রী চৈতন্যের জাতপাতবিরোধী সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন এবং প্রেমধর্মের প্রতিনিধি রূপে গণ্য করা এক প্রকার বিভ্রান্তি ও ভুল। একালে ‘প্রেমধর্ম’ কায়েম করার অর্থ- সবার আগে প্রেমশূন্য পুঁজিতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং ভোগবাদকে চ্যালেঞ্জ করা। ইসকন তাদের ভক্তদের নিরামিষাশী ও মিতাচারী হওয়ার উপদেশ দিলেও বিশাল বিশাল মন্দির স্থাপনের মধ্য দিয়ে যে বার্তা দিয়ে থাকে, সেটা দৃশ্যমান ভোগবাদী সংস্কৃতির বার্তা। যুক্তরাষ...

আফগানিস্তানে রুশ বিরোধী বিপ্লবে সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার ছিল আফগান জমিয়ত।

 বিপ্লবের পরে তারাই নানান ভাগে ভাগ হয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু করে। এর মূল কারণ ছিল তারা দলীয় ও দেশের স্বার্থকে ছোট করে দেখেছেন বরং নিজ গোত্র এবং নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখেছেন।  ফলশ্রুতিতে তারা দল হারিয়েছেন, ক্ষমতা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন।  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এখন প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করছেন। বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করছেন। এর কারণ হলো প্রত্যেকে দল ও দেশের কথা না ভেবে নিজ নিজ ভবিষ্যৎ কে সামনে রেখে কথা বলছেন।  দোয়া করি, আফগান জমিয়তের ভাগ্যবরণ যেন বাংলাদেশ জামায়াতের না হয়।।

জামায়াতের ৫ আগস্ট পরবর্তি অবস্থা

 ১. সঠিক নেতৃত্ত্বের অভাবে জামায়ায়াতের একাত্তরের যৌক্তিক সিদ্ধান্ত জনগণের সামনে তুলে ধরা যায় নাই।  ২. হীনমন্ম নেতৃত্ত্বের কারণে জামায়াত এখন স্লোগান দেয় "স্বাধীনতা এনেছি স্বাধীনতা রাখবো"।  ৩. দুর্বল, অথর্ব, অদুরদর্শী নেতৃত্ত্বের কারণে জামায়াত তার শীর্ষ নেতাদের খুনিদের দলকে ফ্যাসিবাদী বললে কষ্ট পায়।  ৪. জামায়াতের বিকল্প রাজনৈতিক সংগঠন ময়দানে নেই বলেই আমরা জামায়াতকে এখনো বাধ্য হয়েই সমর্থন করছি। ৫. অন্ধ আনুগত্য পরিহার করে জামায়াতের বেকুব মার্কা অবস্থানের বিরোধীতা করে জামায়াতকে লাইনে রাখতে হবে।  ৬.। মনে রাখতে হবে জামায়াতই বাংলাদেশের স্বাধীনতার একমাত্র রক্ষাকবজ, জামায়াতকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। https://www.facebook.com/ 100000443214572/posts/9197682813589734/?rdid=B2C44CSfVssvkIU5

বিলিয়ন ডলার বাজেট দিলেও "ইসলামপন্থী"রা প্রথম আলো বা ডেইলি স্টার দাঁড় করাতে পারবে না।

 যদি ফান্ডিং থাকলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত তাহলে কোটিপতি প্রবাসীদের আল্ট্রা মডার্ন বাসায় সাতরঙের টাইলস আমাদের দেখতে হত না।  বাংলাদেশের মুসলমানরা সারা বছরে যে দান খয়রাত করে তার একশো ভাগের এক ভাগ দিয়ে ডেইলি স্টার চালানো সম্ভব। কিন্তু এক মসজিদের দুই হাত দূরে আরেকটা এসিওয়ালা মসজিদ বানানোর চেয়ে একটা ডেইলি স্টার তৈরী যে গুরুত্বপূর্ণ - এই রুচিবোধ কোন টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব না। https://www.facebook.com/ 100087757647037/posts/528705436731373/?rdid=FRUlTtrY8vh3egof

বাংলাদেশে ইসলাম - তাবলীগ জামায়াত - কওমি

 ১৯৭১ সালে দেশ ভাঙ্গার পর ভারতীয় মূর্তিপূজকদের সহায়তায় এদেশের শাসক হয় শেখ মুজিব। এসেই সে ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করে। শুধু যে ইসলামপন্থীরা আক্রান্ত হয়েছে তা নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা ইসলাম বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তারা ইসলামের প্রতি আক্রোশ দেখিয়েছে। যে সকল প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার নামে ইসলাম ও মুসলিম ছিল সেগুলো থেকে তারা ইসলাম ও মুসলিম শব্দ বাদ দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুসলিম বাদ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো থেকে 'রাব্বি জিদনি ইলমা' ও কুরআনের চিহ্ন বাদ দেওয়া হয়েছে। নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে ইসলাম বাদ দিয়েছে। পাবনার সেরা কলেজ ইসলামিয়া কলেজকে বুলবুল কলেজে পরিণত করা হয়েছে। এভাবে সারা বাংলাদেশে সব স্থান ইসলাম ও মুসলিমকে উৎখাত করা হয়েছে। কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের বোরকা নিষিদ্ধ করে শাড়ি পড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই কারনে বহু ছাত্রী একাত্তর পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে শিক্ষা নিতে যায় নি। সংবিধান প্রণয়ন করে বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা ...