Posts

Showing posts from September, 2024

সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংখ্যলঘু নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ (৬ আগস্ট ২০২৪)

 গতকাল ৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ কার্যত সরকারবিহীন রয়েছে। দেশ থেকে শেখ হাসিনার পলায়নের পর থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন উতসব করতে। এরই মধ্যে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ধরনের সরকারি স্থাপনা, আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, সরকারের বড় পদধারীদের ভাসভবন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর এবং ক্ষেত্রবিশেষে হামলার খবর সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে আসতে শুরু করে। অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বা তাদের পরিবারের সদস্য এসব হামলায় নিহত হয়েছেন। হত্যার কিছু ছবি ও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে এসেছে যেগুলো খুবই খুবই খুবই ডিস্টার্বিং। আমি সামাজিক মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং মন্দিরে হামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু পোস্ট যাচাইবাছাই ও বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করেছি। এর ভিত্তিকে নীচে কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরছি। // ১. সঠিক দাবি: ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেগুলোতে দেখা যাচ্ছে, হিন্দুদের বাড়িঘর এবং কয়েকটি জায়গায় মন্দির আক্রান্ত হয়েছে। কেউ কেউ হামলার সময়ের লাইভ ভিডিও প্রচার করেছেন। এসব ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে দাবিগুলো সত্য। এরকম ভিডিও বা ছবি গতকাল থেকে ঠিক কত সংখ্...

গত ২৮ জুলাই আন্দোলন চলাকালীন এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে দৈনিক কালের কণ্ঠ

Image
 গত ২৮ জুলাই আন্দোলন চলাকালীন এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে দৈনিক কালের কণ্ঠ। এরপর সেটি পুন:প্রকাশ করে একই গ্রুপের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম ডেইলি সান ও বাংলানিউজ। রিপোর্টটির মূল থিম হচ্ছে, তখনকার সময়ে আলোচিত দুই ছাত্রের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনাটি দুটি ঘিরে বিতর্ক তৈরি করা। 'পুলিশের গুলিতে নয়, ছাত্রদল বা শিবিরের গুলিতে তারা নিহত হয়েছেন' এই বক্তব্যটি মার্কেটে নিয়ে আসা। ওই সময়ে সিআরআই তাদের বিভিন্ন পেইজ এবং তখনকার তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরাফাতসহ আরও বেশ কিছু আওয়ামী পন্থী পেইজ ও একাউন্ট থেকে এই প্রচারণাটি চালানো হয়েছিল। কালের কণ্ঠ সিআরআইয়ের ওই প্রচারণাটিকে 'সাংবাদিকতার রূপ' দেয়ার চেষ্টা করে। তো, ছেলে দুটিকে যে, "পুলিশ নয়, বরং ছাত্রদল-শিবির গুলি করে মেরেছে"-- এই দাবির পক্ষে প্রমাণ হিসেবে কালের কণ্ঠ যা যা হাজির করেছে সেগুলো হলো-- প্রমাণ ১: "ধারণা করা হচ্ছে" প্রমাণ ২: "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের কথা বলা হচ্ছে" প্রমাণ ৩: " তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন" প্রমাণ ৪: ...

পাহাড়ের সহিংসতা

 পোস্টের শুরুতে বলি,কোনো সংঘর্স,আগুন,হত্যা, সেটা খারাপ ভালো যে হোক তার পক্ষে আমি না।মজলুম দের পক্ষেই সব সময়। পাহাড়ের সহিংসতার বিরুদ্বে আমি। বাট তাদের সহিংসতার কারন টাও জানা জরুরী।  কিছু সুশীল সারা দুইমাস,সব সময় চুপ থেকে এখন পাহাড় নিয়ে মিনিটে ১০ টা করে পোস্ট দিচ্চে যারা,তাদের জন্য কিছু ইনফু। যারা সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন ,আছেন তাদের জন্য এই পোস্ট না।যারা সাময়িক পক্ষবেদে সুশীল তাদের জন্য এটা। ৫ আগস্ট থেকে পাহাড়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছে।  গতকাল সকালে এক বাঙালীকে হত্যা করেছে।  স্বাধীন দেশের নাম দিয়েছে জুম্মুল্যান্ড।  গত দশ বছরে কতজন সেনা অফিসার পাহাড়ে নিহত হয়েছে, একটু খোঁজ নিয়েন।  পাহাড়ে কোন থানাতে যাইয়া আপনি পাহাড়ি কোন নেতার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না। পুলিশ মামলা নেয় না। কেন জানেন? মামলা নিলেই এসে গুলি করে মেরে দেবে। আমরা ওদের নিজেদের ভাই বলেই মেনে নিয়েছি।  বাট ওরা আমাদের ভাই বলে মানে নাই।সশস্ত্র যুদ্ধের ডাক দিয়েছে।  এখন এখানে আর্মির কী করা উচিত?  আপনারা বারবার পাহাড়িদের ভিক্টিম বলতেছেন কিসের ভিত্তিতে?  ওদের জুলুমটা আ...

যেভাবে হত্যা করা হয় শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরাকে

  ঢাকা থেকে রোয়াংছড়িতে ফিরে আসার পর শান্তিবাহিনী তার বাড়িতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়। কিন্তু সাহসী ওমর ফারুক তাদেরকে বলে, ধর্ম পরিবর্তন তার গণতান্ত্রিক অধিকার। কাজেই কোনো ভুল বা অন্যায় তিনি করেননি। তবুও সন্ত্রাসীরা তাকে হুমকি দিলে তিনি সন্ত্রাসীদের বলেন, তোমরা কী করবা আমার? প্রাণ নিবা? নাও আমি বুক পেতে দিলাম। গুলি করো। আমি শহীদ হয়ে যাবো। এই বলে তিনি জামার বোতাম খুলে সন্ত্রাসীদের সামনে বুক চেতিয়ে দাঁড়ান। বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার শহীদ ইমাম ওমর ফারুককে(৫০) ঘরে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এসময় তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম স্বামীকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তার বুকে লাথি মারলে তিনি ছিটকে পড়ে যান বলে জানান তার মেজো মেয়ে আমেনা। উল্লেখ্য গত ১৮ জুন রাতে এশার নামাজ শেষে ঘরে ফিরে আসার পর উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা এই নও মুসলিম ঈমামকে নির্মমভাবে হত্যা করে। শহীদ ওমর ফারুক(পূর্বনাম পুর্নেন্দু ত্রিপুরা)  রোয়াংছড়ির মতো দূর্গম পার্বত্য এলাকায় কমপক্ষে ত্রিশ পরিবারকে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করেছিলেন। এ জন্যই তাকে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে বলে দাবী পরিবারটি...

বাংলায় আগমন করা প্রথম মানবগোষ্ঠী ছিলো নেগ্রিটো

Image
 বাংলায় আগমন করা প্রথম মানবগোষ্ঠী ছিলো নেগ্রিটো। আগমনের ক্রম বিবেচনায় জাতিগোষ্ঠীর তালিকা হলো: ১. নেগ্রিটো  ২. অস্ট্রিক ৩. দ্রাবিড় ৪. মঙ্গোলীয় বা ভোটচীনীয় নেগ্রিটো এবং অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির উৎপত্তি। আজকের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উৎপত্তি চতুর্থ পর্যায়ের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী থেকে।  সুতরাং, উৎপত্তি বিবেচনায় বাংলার প্রাচীনতম ও প্রধানতম নৃতাত্ত্বিকগোষ্ঠী আমরা বাঙালিরাই। বাংলায় আদিবাসী পরিচয় দেয়ার অধিকার বাঙালিদের।  পাহাড়িদের পরিচয় তারা উপজাতি। চাকমারা মূলত চম্পকনগর নামে একটি রাজ্যে বাস করত। চম্পক নগর ত্রিপুরা রাজ্যেরই কাছাকাছি কোন জায়গায় অবস্থিত ছিল। চাকমারা সেখানে আনুমানিক দুশ থেকে আড়াইশ বছর কাল অতিবাহিত করার পর পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর ত্রিপুরা থেকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে সরে আসতে থাকে এবং পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এবং তার উপনদীসমূহের উপত্যকা ভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে।  চম্পক নগর কি বাংলাদেশে? উপজাতিরা প্রথম শুরু করলো গ্রাফিতি নিয়ে। এরপর শুরু করলো কল্পনা চাকমা কাহিনী, তারপর আদিবাসী কেন ডাকা হয় না সেটা নিয়ে। তারপর বললো পাহাড়ে সেন...

পাহাড়ে হচ্ছে টা কী?

 যারা সাজানো ভিডিও দেখে আবেগ মারাচ্ছেন,  তাদের জন্য আমার পাহাড়ে বেড়ে উঠার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম৷   আমার জন্ম পার্বত্য অঞ্চলের রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলায়। সে সুবাদে আমি ছোট থেকে একটা শব্দের সাথে পরিচিত ছিলাম- শান্তিবাহিনী।  মা ছোট বেলায় দূরে কোথাও যেনো না যাই তাই ভয় দেখাতো ঐখানে শান্তিবাহিনী আসছে, যাইস নাহ।  আরেকটা শব্দ শুনতাম শান্তি চুক্তি! কিন্তু এসব এর কিছুই বুঝতাম নাহ। ঘটনা-০১ঃ আমার বয়স সম্ভবত খুব হলে ৬ কিংবা ৭ বছর চলে। রাত হলে হাতি এবং শান্তিবাহিনী ভয় পেতাম আমরা। প্রবীণরা তাদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার করতো যা থেকে একটা ভীষন ভয় ডুকে গিয়েছিলো।  পাশের বাড়ির লোকেরা ইয়া বড় ড্রেন খুঁড়তে লাগলো।জিজ্ঞেস করতাম কেন? কেউ কিছু বলতো না।  খুঁড়তো প্রতিদিনই। একদিন হঠাৎ করে গুলাগুলির আওয়াজ। আব্বা মা আমাকে আর ভাই কে নিয়ে দৌড়ে চলে যায় ঐ পাশের বাড়ির গর্ত করা ড্রেন এ। এবং এক পর্যায়ে মনে পড়ে আমার বোন কে ঘরে রেখে আসছে। আবার দৌড়ে যায় মা-বাবা।  এরপর আমরা শুধু এলোপাতাড়ি গুলির আওয়াজ শুনি। একটু মাথা উঁচিয়ে সবাই দেখছিলো, আমিও দেখতে লাগলাম। গুলির আগুন এর  ঝাটকা ব...

হারুনের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ানোর পর

হারুনের যেই ভাতের হোটেল চিনেন,সেই হোটেলে হারুন খাচ্ছিলো।ডিবি হেফাজতের দ্বিতীয় দিন আমাকে, নাহিদ ভাইকে, আসিফ ভাইকে তার সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। হারুনের ব্যবহার ছিলো অত্যন্ত বাজে এবং হল ছাত্রলীগের উপসম্পাদক ক্যাটাগরির। আমাদেরকে বলতেছিলো, আমি নেতা ছোট করি,নেতা বানাই না! দেখোস নাই, নূরুরে কি করে ছেড়ে দিছি! নূরু এখন রিমান্ডে কান্নাকাটি করে।  সে যেভাবেই কথা বলুক না কেনো,আমরা তিনজন খুব দৃঢ় ভাবে কথা বলে যাচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে সে আমাকে বলে, ❝তুই শিবির❞! আমি বলি, ❝না আমি শিবির না❞! সে আবারো(একটু উচ্চ শব্দে) বলে, ❝না, তুই শিবির❞। আমি আবারো বলি ❝না(ওর থেকে উচ্চ শব্দে) ❞। সে আসিফ ভাই, নাহিদ ভাইকে দেখিয়ে দিয়ে বলে, ❝দেখ,সে কিভাবে কথা বলে!❞ ওর কথা  বলার মঝেই ওর থেকে উচ্চ শব্দে বলতে থাকি,❝আমার পুরো বাড়ির মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে,আমার বাড়িতে যোদ্ধারা ক্যাম্প করেছিলো, আমি সেই বৃহত্তর পরিবারের সন্তান ❞। আমি তার থেকে উচ্চবাচ্য করায় সে প্লেট চূড়ে ফেলে দিয়ে এক অফিসার কে ইশারা দিয়ে বলে আমাদেরকে নিয়ে যেতে। আমাদের তিনজনকে তিনটি আলাদা রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। রুমে যাওয়ার ৩/৪ মিনিট পর দুইজন লোক এসে আমাকে দরজ...

হাসিনা ক্ষমতায় এসেই জিজ্ঞাসা করেছিলো তার সামরিক এডভাইজারদেরকে - রিস্ক কি কি

 হাসিনা ক্ষমতায় এসেই জিজ্ঞাসা করেছিলো তার সামরিক এডভাইজারদেরকে "রিস্ক কি কি? কোন দিক থেকে আমাকে ফেলে দিতে পারে?" তারা বলেছিলো : পুলিশ কনট্রোলে, মিলিটারি কনট্রোলে, বিরোধি দল কনট্রোলে ... সরকারি কর্মচারি, বিশ্ববিদ্যালয়, শিবির, বিএনপি, রাস্তার আন্দোলন, আদালত, প্রেসিডেন্ট, সংসদ, চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন, মাদ্রাসা ... সব আমাদের কনট্রোলে। নির্বাচনে আপনি যাই করেন না কেন। এদিক থেকে বিপদ নেই। আপনার পতন কেবল একভাবেই হতে পারে : যদি দেশের সমস্ত জনগন মিলে রাস্তায় নেমে আসে। তখন ঠেকানো যাবে না। —— উপরেরগুলো শুনেছিলাম ১০ বছর আগে। এজন্য যে কোনো সামান্য আন্দোলন বা সমালোচনা যেটা মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলতে পারে, সেগুলো কঠিন হাতে দমন করতো। প্রয়োজনের থেকে ১০ গুন ফোর্স দিয়ে। নিষ্ঠুর ভাবে। শেষ রক্ষা হয়নি। একমাত্র যে ভাবে পতন হতে পারে বলেছিলো, এক্সাক্টলি সেভাবেই পতন হয়েছে। //  ডক্টর ইউনুস যেভাবে মাহফুজ আলমকে পরিচয় করিয়ে দিলেন মাস্টারমাইন্ড হিসেবে। এটা মেনে নেয়া যায় না।  আন্দোলনের বয়ান চুরি সহ্য করা হবে না। ৭ই অগাস্টে আসিফ আদনান সত্য ঘটনাপ্রবাহ সুন্দরভাবে তুলে ধরেছিল। এটাকে অস্বীকার করে অন্য কিছু বসা...

আমি মাদ্রাসায় পড়ে পরিচয় গোপন করেছি, বলে যান আমি অপরাধী।

 আমি মাদ্রাসায় পড়ে পরিচয় গোপন করেছি, বলে যান আমি অপরাধী। আমি মাদ্রাসায় পড়েছি, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায়। দাখিল-আলিম শেষ করে ২০০৯-১০ সেশনে ভর্তি হই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যে ছবিটা দেখছেন এটা  ভর্তি কোচিং UCC এর প্রসপেক্টাস। ছবিতে লেখা আপনি আমার যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দেখছেন, রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, আমি এর নাম ছাড়া আর কিছুই জানি না। আমি গরিব পরিবারের সন্তান, এবং আমার কাছে হলে থাকার কোনো বিকল্প ছিল না। ২০১০ সালে হলে আসার আগে আমি অনেক গল্প শুনেছিলাম মাদ্রাসার ছাত্রদের আর শিবিরের উপর নির্যাতনের, কাউকে দ্বিতীয় তলা থেকে ফেলে দেয়া হয়েছে, প্লাস দিয়ে কারো আংগুলের নখ তুলে নেয়া হয়েছে ইত্যাদি। যেদিন প্রথমে হলে আসি, মুহসিন হলে, আমার এসএম হলে থাকা এক মাদ্রাসার বন্ধুকে ফোন দিলাম। ও বললো যেন কোনোভাবে মাদ্রাসায় পড়েছি এটা না বলি। মাদ্রাসার ছেলেরা সন্দেহের তালিকায় সবার আগে থাকে। ওকে বললাম, আমার খোঁজ না পাওয়া গেলে যেন মুহসিন হলে খোঁজ নেয়। হলে আসার পর, মোবারক নামের দ্বিতীয় বর্ষের একজন আমাকে কামারুজ্জামান নামে একজন নেতার কাছে নিয়ে গেল। তাকে দেখে মনে হলো আমার ছোট কাকার বয়সী, ৩৫-এর কাছা...

২৭শে মার্চ ২০২৪ তারিখটা সম্ভবত আমি কখনোই ভুলবোনা!

  আজ থেকে ঠিক ৬ মাস আগে, ২৭শে মার্চ ২০২৪ তারিখটা সম্ভবত আমি কখনোই ভুলবোনা! জীবনের নতুন এক অভিজ্ঞতা শুরুর দিন... রমজান মাস ছিলো, দুপুর আড়াইটার দিকে দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক বড় ভাই আমাকে ৫ টা কল দিসে! উনি আমার কলেজেরও বড় ভাই, উনার সাথে এর ১ দিন আগেই আমি ইফতার করসি আমাদের কলেজে বসেই। উনি সাধারণত আমাকে কল দেন না, কিন্তু একসাথে এতোগুলো কল দেখেই আমি খারাপ কিছু আঁচ করছিলাম। উনার সাথে কথা বলে বুঝলাম, বিপদের ঘন্টি বেজে গেসে! বিপদ এড়াইতে যথাসম্ভব প্রস্তুতির প্ল্যান করছিলাম, কিন্তু বিপদ এভাবে হামলে পড়বে ভাবিনাই! তবে এখন বুঝি সবই আল্লাহর ইচ্ছা ছিলো... দুপুর ৩ টায় গোসলে যাওয়ার আগে দেখলাম মোবাইলে আরেকটা মিসকল, অপরিচিত নাম্বার। ট্রুকলারে নাম দেখলাম, এসআই পল্লব কলাবাগান  থানা। বুঝলাম, বিপদ এবার দরজায় কড়া নাড়ছে! আম্মুকে হালকাভাবে বললাম যে এরকম এক এসআই আমারে মিসকল দেয়, আম্মুও হালকাভাবেই নিলেন। ঐদিন পল্টন টাওয়ারের শর্মা হাউজে একটা ইফতারের দাওয়াত ছিলো, সেখানের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর সেই অপরিচিত নাম্বারে ব্যাক করলাম। ফোন ধরে সালামের জবাব না নিয়েই ভদ্র ভাবে আমার নাম জানতে চাইলো, আমি বললাম...

স্বাধীন বাংলাদেশ যাত্রার টাইমলাইন

  ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট (শেয়ার করে রেখে দিন নিজের প্রোফাইলে) ৫ জুন  -- মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করে হাইকোর্ট  ৬ জুন  -- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ-এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ঢাবি ছাত্ররা  ৯ জুন  -- কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আবারও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা -- দাবি মানতে সরকারকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন ঢাবি ছাত্ররা।  -- বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদল সুপ্রিম কোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর স্মারকলিপি দেয়। -- কোটা বাতিল-সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ৪ জুলাই দিন নির্ধারণ করা হয় ১ জুলাই  -- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা বাতিলের দাবিতে ছাত্রসমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে -- ৪ জুলাইয়ের মধ্যে দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সুরাহার আহ্বান জানানো হয় -- আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তিন দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয় ২ জুলাই  -- ঢাবির ছাত্ররা...

একটা ব্লগ খুললাম

 একটা ব্লগ খুলে ফেললাম।  মেটা বা ফেসবুক প্রচুর সেন্সর করে। সব কথা হয়ত বলতে পারিনা।  বলতে পারলে অ্যালগরিদমের কারনে সবার কাছে পৌছায় না।  এমনকি সার্চ করলেও মনমত রেজাল্ট পাইনা।  তাই ভাবলাম কিছু কথা এখানে লিখে রাখি। আরেকটা বড় কারন হলো, ফেসবুকে অনেক পোস্ট পাই যেগুলা আবার হয়ত কয়েক বছর পর থাকেনা আইডি ডি-অ্যাকটিভ বা ডিজঅ্যাবলের কারনে।  তাই ভাবতেছি এখানে পছন্দসই লিখাগুলা কপি পেস্ট করে রাখবো। অবশ্যই কার্টেসি সহ।  আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করলাম। আল্লাহ এই ব্লগের মাধ্যমে মানুষের সামান্য উপকার করার তাওফিক দিন।