Posts

আসিফ নজরুল - জোনায়েদ সাকী - জাতীয় পার্টি

বঙ্গভবনে রাজনৈতিক দলের নেতা ও সমন্বয়কদের যাওয়া নিয়ে এখন নানামুখী বির্তক চলছে। আমি উল্লেখযোগ্য কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না হওয়া সত্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট সেনা সদরে অতঃপর বঙ্গভবনে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেনা সদরে আসিফ নজরুল স্যার কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিভাবে সরকার গঠন হতে পারে তার কোন হোমওর্য়াক করেছেন কিনা। উনার উত্তর ছিল গত কয়েকদিন পালিয়ে কাটিয়েছেন, হোমওয়ার্ক করবো কখন। উনার বডি ল্যাঙ্গিয়ুজ, কথাবলার ধরণ যা কিছু দেখেছি তাতে আমি বিশ্বাস করি উনি সত্য কথাই বলেছিলেন।  সেনা প্রধান বক্তব্য শেষে যখন সবাই কে তাঁর সাথে বঙ্গভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলেন তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দই প্রথমে যেতে চাননি। সেনাপ্রধান দেশের ক্রান্তিলগ্নে সবার সহযোগিতা চেয়ে বারবার রিকুয়েস্ট করছিলেন অপরদিকে জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে বারবার বলছিলেন যে আমাদের যাওয়া উচিৎ। পরে সবাই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেনা সদরে গিয়েছিলেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , মির্জা আব্বাস,  জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান, হামিদুর রহমান আজাদ , জাতীয় পার্টির জি এম কাদে...
 অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র প্রদান কমিটি আজকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের শ্বেতপত্র অফিসিয়ালি হস্তান্তর করেছে। কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, যার ক্রেডিবিলিটি নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। এছাড়া, আরো যারা যারা আছেন, প্রত্যেকেই সংশ্লিষ্ট কাজে সেরা সেরা লোক, রাজনৈতিকভাবে বায়াসড হবার কোন অতীত ইতিহাসও তাদের নাই।  তো, সেই কমিটির শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩, এ সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ পাচার করেছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে ফোকলা করে দেয়া হয়েছে, খেলাপী ঋণের সম্ভাবনায় রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকার উপরে, যা দিয়ে বানানো সম্ভব হতো ২২ টা পদ্মা সেতু, ১৩ টা মেট্রোরেল প্রজেক্ট। জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ খাতের উপর সেই ৪০০ পেইজের রিপোর্টে একটি  অধ্যায় আছে, যার শিরোনামটাই চমকপ্রদ, A System designed for corruption. "। এমন একটি প্রক্রিয়া, যেটাকে বানানোই হয়েছে দুর্নীতি করার জন্যে। ৩০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ০৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে প্রজেক্ট শুরু করার আগে কমিশন দেয়ার কাজে, আর বাদ বাকি প্রজেক্ট চলাকালীন এবং পরবর্তী দুর্নীতি বাদই দেয়া হলো।  ২৯ টা মেগাপ্রজেক্টের মধ্যে ...

ঐক্যবদ্ধ জাতি

Image
 

জুলাই - ঐতিহাসিক দিন গুলো

 ১ম কিস্তির পর: সাদিক ভাই যখন কল দিলেন মনে হইলো পুরাই পাগলপারা! ১৫ তারিখের হামলা দেইখা প্রায় ট্রমাটাইজড। তখন আফসোস করলেন— গতকাল সাহস করে দুই তিনজন সামনে দাঁড়াইলেই হইতো, আপুদের রাইখা দৌড়াইয়া জান বাঁচানো ঠিক হয় নাই। যাইহোক, ফোনকলে এটাই বুঝাইলেন— আমাদেরকে যেভাবেই হোক শহীদ মিনারে দাঁড়াইয়া থাকতে হবে ১৬ তারিখ। কিছুতেই যেন হাল না ছাড়ি। ছাত্রলীগ যুবলীগ যেই আসুক না কেন যেন প্রতিরোধ গইড়া তুলি শক্তভাবে। সাহস দিলেন— কইলেন লজিস্টিক সাপোর্ট কিংবা জনশক্তির ব্যপারে যেন চিন্তা না করি। কিন্তু সামনের সারিতে বা আক্রমণ আসলে প্রথম নেতৃত্ব যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীই থাকে। গতকালের মতো যেন দৌড় না দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করি। উল্লেখ্য প্রথম সারির একজন সমন্বয়ক প্রাণভয়ে রেজিস্ট্রার ভবনের ওয়াশরুমে নিরাপত্তা নেন ১৫ জুলাই।  বাসা থেকে যোহর নামাজ আদায় করলাম। দুই রাকাত নফলও। আল্লাহর কাছে দোয়া করলাম যেন বিপদ আসলে সবাই ফেলে দিয়ে চইলা গেলেও আল্লাহ যেন আমার ব্যাকআপ হয়ে দাঁড়ায়। আয়াতুল কুরসি পইড়া রওয়ানা দেই শহীদ মিনারের উদ্দেশ্য। আসন্ন যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ব্যাগের ভিতর হার্ড কাভারের বই, একটা গা...

শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও চট্টগ্রাম শিবিরের দায়

 ১৬ এ জুলাই সকালে মহানগর দক্ষিণ শিবিরের পরিকল্পনা সম্পাদক Tanvir Mostafa  ভাইয়ের ওয়ার্ড সভাপতি গ্রুপে ম্যাসেজ, বিকালে ষোলশহরে পোগ্রাম। (সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার হতো)  মহানগর দক্ষিণ ২নং গেইট থেকে মিছিল সহকারে যাবে ঠিক ৩.০০ টায়। দুপুর ১.০০ টায় ম্যাসেজ এলো ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা ষোলশহর দখল নিয়েছে সবাই যেন মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়। আমি বের হয়ে গেলাম যোহর সহ একবারে প্রস্তুতি নিয়ে। এরমধ্যে আবার ২.০০ টায় অনলাইনে শৃঙ্খলা বিভাগের জরুরী মিটিং ডাকলেন মহানগর দক্ষিণ সেক্রেটারি শাহরিয়ার ভাই। আমার স্মার্ট ফোন না থাকায় সার্কুলার দেখতে পেলাম না। আগ্রাবাদ এসে বন্ধু Md Tanjim  কে ফোন দিলাম কতদূর আসছে তখন তিনি আমাকে জরুরী মিটিং এর কথা বলেন। সবাই ৩.০০ টার পূর্বে ২ নং গেইটে যেন চলে আসে এবং মূল স্পটে অবস্থান না নিয়ে আশপাশে থাকে। পর্যাপ্ত ফাস্ট এইড ও ৩০০ জনের লাঠি থাকবে আমাদের। শাহাদাতের মানসিক প্রস্তুতি তখনই অটো সেট হয়ে যায় সবার। ঠিক ৩.০০ টায় আচমকা শুরু করবে। আমি যেহেতু আগেই বের হয়ে গেছি তাই ৩০ মিনিট পূর্বেই প্লেইস পৌঁছে যাই। নেমেই দেখলাম লীগের সন্ত্রাসীরা হকিস্টিক, লাঠি ও দেশীয় অ...

১৫ জুলাই ২০২৪ - শিবির

Image
 ১৫ জুলাই ২০২৪, শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হা ম/ লার পর তাৎক্ষনিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান নেয়।  নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব, মহানগর পশ্চিম ও মহানগর উত্তর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজ শাখার জনশক্তিরা সাইন্সল্যাব সহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে অবস্থান নেয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনের সময় মূল সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দিতে এবং ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে মহানগর ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলদেরকে নিয়োজিত করা হয়। সেদিনের সংবাদ সম্মেলনের লাইভ ভিডিওটিতে স্পষ্টভাবে বিভিন্ন দায়িত্বশীলদের দেখা যাচ্ছে।  আব্দুল হান্নান মাসুদের পাশেই রয়েছে  ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অফিস সম্পাদক মোঃ আতিকুল ইসলাম, ছাত্রশিবির কবি নজরুল সরকারি কলেজ  এর সাবেক সভাপতি ও মহানগর দক্ষিণের ফাউন্ডেশন এন্ড প্ল্যানিং সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইফুল। আসিফ মাহমুদের পেছনে রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কলেজ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম এ...

বিজেপি বলতেছে, ইউএস ডিপস্টেট ভারতকে টার্গেট করেছে।

 বিজেপি বলতেছে, ইউএস ডিপস্টেট ভারতকে টার্গেট করেছে।  এই কথাটাই ৬ মাস আগেই বলেছিলাম। ওবামা একেবারে প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, মোদির রাজনীতি চলতে থাকলে ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।  এই প্ল্যানটাই আমরা আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন হতে দেখবো খুব সম্ভবত।  কাজেই, ময়ুখের আর অভিমান করে "বাংলাদেশ আর থাকবে না"  বলতে হবে না।  যদি ভুল না করে থাকি, ২০২২ এই ভারত রিলেটেড সমস্ত প্ল্যান আমেরিকার ডিপস্টেট ফাইনাল করেই ফেলেছে।  মোদিকে আবারও ভোট দিয়ে ভারতের জনগণও আমেরিকাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।  সকল প্রতিবেশীকে শত্রু বানিয়ে আর দেশের সংখ্যালঘুদের মেরে কেটে বিজেপিও দেশেই প্লট রেডি করেই রেখেছে।  ময়ুখের অভিমান আগামী ১০ বছরের মধ্যেই কান্না হয়ে ঝড়তে যাইতেসে। আল্লাহ যেন সেইদিন পর্যন্ত আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন। https://www.facebook.com/ 100025116856932/posts/1723205698526642/?rdid=rUhCu6bG9DeRp2Bp