আর জে কিবরিয়া ঘোষণা দিয়ে ডেইলি স্টারের এওয়ার্ড থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছেন।
সেদিন দেখলাম এক ইউনিভার্সিটির টিচারও ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে বললেন, প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের পক্ষে বিবৃতি তিনি দেননি।
প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার ছিলো বাংলাদেশের মিডলক্লাসের একটা স্ট্যাটাসের জায়গা।
সেই জায়গা ধীরে ধীরে সরতে শুরু করেছে।
বাসায় প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার রাখা এক সময় সম্মানের ছিলো, ভবিষ্যতে এইটা লজ্জার হতে যাইতেছে।
নিজেদের অপসাংবিদকতা আর কালচারাল ফ্যাসিজমকে এই পত্রিকা দুইটা এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে, মানুষ এখন এইটাকে সামাজিক প্রতিরোধ করা শুরু করবে।
বিশেষ করে গতদিনের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে গুলি করা আর সেই গুলিকে ডেইলি স্টারের সাংবাদিকদের সেলিব্রেট করাটা মিডল ক্লাস ভালোভাবে নেবে না। বরং মানুষ এখন এদেরকে খুব শক্তিশালী এবং জালিম ভাবতে শুরু করবে।
অদূর ভবিষ্যতেই আমরা দেখবো, নামকরা নায়ক নায়িকারা আর জে কিবরিয়ার মতো ঘোষণা দিয়ে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার বর্জন করবে।
কারণ দিনশেষে আর্টিস্টরা মানুষের উপর নির্ভরশীল। আর এরা যেহেতু মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়াইয়া গেছে, মানুষ আর প্রথম আলোর প্রশ্নে আর্টিস্টরা মানুষ চুজ করতে বাধ্য।
প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের ক্রমাগত সমালোচনার এটাই হলো ফজিলত। সামনে এদের হলুদ সাংবাদিকতা নিয়ে একটা বড় অনুষ্ঠানও হতে যাচ্ছে। এটাই হবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের শেষের শুরু।
প্রথম আলোর অফিস ভাঙলে প্রথম আলো বরং শক্তিশালীই হয়। কোন ধরণের উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না।
এরচে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের যৌক্তিক সমালোচনা, ওদের অপসাংবাদিকতা আর শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চালাইয়া যাইতে পারলেই ওদের ক্রেডিবিলিটি নষ্ট করে দেওয়া সম্ভব হবে।
ক্রেডিবিলিটি নষ্ট করতে পারলেই আর জে কিবরিয়ার মতো লোকজনরা প্রথম আলোকে ডিজওউন করতে শুরু হবে। ঐটা হবে তাদের প্রথম মৃত্যু।
যে মিডলক্লাস প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার বাসায় রাখা নিয়ে গর্ব করতো, জাতে উঠতে চাইতো, তারাই অদুর ভবিষ্যতে কারো বাসায় প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার দেখলে নাক সিটকাবে।
আর এটাই হবে দিল্লীর এই দুই কালচারাল সৈনিকের শেষ পরিণতি।
Comments
Post a Comment