প্রথম আলোর শয়তানী

 একটা দেশের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে প্রভাবশালী, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে একাডেমি কোয়ালিটি, মানসম্পন্ন শিক্ষক, আন্তর্জাতিক রাঙ্কিং এ বাজে অবস্থান, ইন্ডাস্ট্রি উপযোগী শিক্ষা দক্ষতা তৈরির ব্যর্থতা, অতি স্বল্প গবেষণা বাজেট, দীর্ঘ সেশন জট, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার- ইত্যাদি মৌলিক বিষয় গুলোকে সাক্ষাৎকারের ফোকাস না করে এসব ব্যক্তিগত প্রশ্ন এবং আইডেন্টিটি  poking করার মানে কি? সংবাদ মাধ্যম এ ধরনের ঝোঁক থেকে বাঁচবে কবে?

পেশাদার সাংবাদিকতা বাদ দিয়ে অ্যাক্টিভিজম এবং রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া দেশের প্রধানতম পত্রিকার কাজ হতে পারে না।।

ব্যক্তির জাতীয়তাবোধ থাকা, বিশেষ রাজনৈতিক দর্শন থাকা, তার গান শুনা, ব্যক্তির ধার্মিকতা, তার বিনোদন এবং যাপিত জীবনের সম্পর্ক থাকা, জাতীয় স্থানে তার গমন, জাতীয় প্রতীকে তার ভাল লাগা- এগুলা প্রাইভেসি সম্পর্কিত। এই বিষয় দিয়ে কিংবা পাবলিক পরিসরের পরিচয় দিয়ে ব্যক্তি যদি কোন প্রতিষ্ঠানিক দায়িত্বে অবহেলা করেন, রাষ্ট্রের ক্ষতি করেন তাইলে, একটা এক্সকিউজ থাকে বটে! ঢাবি ভিসি তার ব্যক্তিগত জীবনবোধ দিয়ে কী কী পাবলিক ক্ষতি করেছেন? তাছাড়া ৫৩ বছর বয়সী দেশে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিতে ভর্তি হতে মিডিয়া ট্রায়াল কেন দিতে হবে! 

আমাদের পত্রিকা গুলোর প্রাইভেসির ধারণা অত্যন্ত কম। আমি শিউর, আপনি বিশ্বের কোন আন্তর্জাতিক পত্রিকায়, কোন স্টান্ডার্ড মিডিয়ায় এরকম সাব-স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারভিউ প্রশ্ন খুঁজে পাবেন না।




Comments